কোম্পানি বন্ধের পথে,
দপ্তরী থাকুক সাথে।
ঝামেলাহীন ও আইনগত নিরাপদ লিকুইডেশন প্রক্রিয়া
শেয়ারহোল্ডার ও ডিরেক্টর রেজল্যুশন থেকে RJSC অনুমোদন - সম্পূর্ণ সাপোর্ট
দ্রুত সময়ে, নির্ভুল ডকুমেন্টেশন ও স্বচ্ছ খরচে কোম্পানি বন্ধ করার নিশ্চয়তা
বাংলাদেশে একটি কোম্পানি বন্ধ করা (Liquidation বা Winding Up) একটি আইনগতভাবে জটিল ও বহু-ধাপের প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত করা হয় যখন কোম্পানি ব্যবসা চালাতে চায় না, অথবা ক্ষতির কারণে বা শেয়ারহোল্ডারদের সিদ্ধান্তে কোম্পানি বন্ধ করার প্রয়োজন হয়।
কোম্পানি লিকুইডেশনের ধরণ
Voluntary Liquidation (শেয়ারহোল্ডার/ডিরেক্টরের সিদ্ধান্তে বন্ধ করা)
Compulsory Liquidation (আদালতের নির্দেশে বন্ধ করা)
Creditors’ Voluntary Liquidation (কোম্পানি ঋণ শোধ করতে না পারলে ঋণদাতাদের সিদ্ধান্তে)
কোম্পানি লিকুইডেশনের প্রক্রিয়া
(Step by Step)
Board Resolution গ্রহণ
কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ লিকুইডেশনের সিদ্ধান্ত নেবে।
শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন
সাধারণ সভায় (EGM) শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন দেবেন।
RJSC তে আবেদন
Registrar of Joint Stock Companies (RJSC)-এ লিকুইডেশন নোটিশ জমা দিতে হবে।
অডিট রিপোর্ট ও হিসাব চূড়ান্তকরণ
কোম্পানির সকল লেনদেন ও ট্যাক্স বিষয়ক অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করতে হবে।
ক্লেইম নিষ্পত্তি
ঋণদাতাদের (Creditors) দাবী মেটাতে হবে।
লিকুইডেটর নিয়োগ
একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত লিকুইডেটর পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।
চূড়ান্ত রিপোর্ট ও অনুমোদন
RJSC ও আদালতের অনুমোদন পাওয়ার পর কোম্পানি অফিশিয়ালি বন্ধ বলে গণ্য হবে।
কোম্পানি লিকুইডেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বোর্ড রেজল্যুশন ও শেয়ারহোল্ডার রেজল্যুশন
গত বছরের অডিট রিপোর্ট ও ফাইনাল অ্যাকাউন্টস
ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন বাতিলের কপি
সকল Creditors-এর তালিকা ও নিষ্পত্তির প্রমাণপত্র
RJSC নির্ধারিত ফর্মসমূহ
সাধারণত ৬-১২ মাস সময় লাগে কোম্পানি লিকুইডেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে, তবে কাগজপত্র ও ঋণদাতার জটিলতা অনুযায়ী সময় বাড়তে পারে।
দপ্তরী কিভাবে সাহায্য করে?
লিকুইডেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট প্রস্তুত ও জমা করি।
বোর্ড রেজল্যুশন ও শেয়ারহোল্ডার রেজল্যুশন ও অডিট রিপোর্ট তৈরি
RJSC ফাইলিং, ট্যাক্স ও ভ্যাট নিষ্পত্তি দ্রুত সম্পন্ন করি।
শেয়ারহোল্ডার ও ঋণদাতাদের সাথে লিগ্যাল সাপোর্ট প্রদান করি।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জটিলতা ছাড়া কোম্পানি বন্ধের নিশ্চয়তা দিই।
আপনি কি আপনার কোম্পানি বন্ধ করতে চাচ্ছেন?
তাহলে আজই দপ্তরীর এক্সপার্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন—আমরা নিশ্চিত করবো দ্রুত, সঠিক ও ঝামেলামুক্ত সেবা।
FAQ – কিছু সাধারণ প্রশ্ন
কোম্পানি লিকুইডেশন বলতে কী বোঝায়?
কোম্পানি লিকুইডেশন বা Winding Up হলো একটি কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ করে তার সম্পদ বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ এবং আইনগতভাবে কোম্পানিকে সমাপ্ত করার প্রক্রিয়া।
বাংলাদেশে কোন ধরণের কোম্পানি লিকুইডেশন হয়?
সাধারণত তিন ধরনের লিকুইডেশন হয়ে থাকে –
Voluntary Liquidation: শেয়ারহোল্ডার/ডিরেক্টরের সিদ্ধান্তে কোম্পানি বন্ধ।
Compulsory Liquidation: আদালতের নির্দেশে কোম্পানি বন্ধ।
Creditors’ Voluntary Liquidation: কোম্পানি ঋণ শোধ করতে না পারলে ঋণদাতাদের সিদ্ধান্তে কোম্পানি বন্ধ।
কোম্পানি লিকুইডেশন করতে কতদিন সময় লাগে?
সাধারণত ৬-১২ মাস সময় লাগে, তবে ঋণদাতার সংখ্যা ও কাগজপত্রের জটিলতার উপর নির্ভর করে সময় বেশি লাগতে পারে।
কোম্পানি লিকুইডেশনের জন্য কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?
বোর্ড ও শেয়ারহোল্ডার রেজল্যুশন
কোম্পানির সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট
ফাইনাল অ্যাকাউন্টস ও ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন বাতিলের আবেদন কপি
ক্রেডিটরদের তালিকা ও নিষ্পত্তির প্রমাণপত্র
RJSC নির্ধারিত ফর্মসমূহ
লিকুইডেশন না করলে কী ঝুঁকি আছে?
যদি কোম্পানি বন্ধ করতে চান কিন্তু লিকুইডেশন না করেন, তাহলে –
কোম্পানির নামে প্রতিদিন জরিমানা জমা হবে (RJSC late fee)
ট্যাক্স ও ভ্যাট জটিলতা তৈরি হবে
শেয়ারহোল্ডার বা ডিরেক্টরের নামে আইনি দায় আসতে পারে
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সরকারি অনুমোদন ব্লক হয়ে যেতে পারে
কোম্পানি লিকুইডেশনে খরচ কত?
খরচ নির্ভর করে –
কোম্পানির আকার
ঋণদাতার সংখ্যা
ডকুমেন্টের জটিলতা
আদালতের সম্পৃক্ততা
সাধারণত সরকারি ফি ও অডিট খরচ ছাড়াও, লিকুইডেটর/সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়।
দপ্তরী কীভাবে সাহায্য করে?
দপ্তরী আপনার হয়ে –
সকল ডকুমেন্ট প্রস্তুত ও জমা করে
RJSC ফাইলিং ও সরকারি দপ্তরে ফলো-আপ করে
ট্যাক্স ও ভ্যাট নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে
লিকুইডেটর অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও লিগ্যাল সাপোর্ট দেয়
নির্দিষ্ট সময়ে আইনগত সুরক্ষা সহকারে কোম্পানি বন্ধ নিশ্চিত করে