লোন বা ইনভেস্টমেন্ট পেতে চাই,
লিমিটেডের আস্থা!
দপ্তরী থাকতে নাই কোনো চিন্তা।
ঘরে বসে ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে ঝামেলাবিহীন প্রাইভেট লিমিটেড রেজিস্ট্রেশন।
MOA ও AOA ড্রাফট তৈরি ও সহযোগিতা।
জটিলতা, সময় ও ভুল্ভ্রান্তি দূর করে সহজ প্রসেসে রেজিস্ট্রেশন।
বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি আপনাকে ও আপনার ব্যবসাকে একটি আলাদা আইনি সত্তা দেয়। এতে ব্যবসার ঝুঁকি ব্যক্তিগত ঝুঁকিতে পরিণত হয় না, অংশীদার থাকলে শেয়ার ভাগ করা যায় এবং ব্যাংক লোন, এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট লাইসেন্স, B2B চুক্তি সহজ হয়।
আমরা কীভাবে সাহায্য করি?
নাম ক্লিয়ারেন্স আবেদন
RJSC-তে ডকুমেন্ট তৈরি ও সাবমিট
MOA, AOA, ফর্ম IX, XII প্রিপারেশন
সার্টিফিকেট, টিন, কোম্পানি চপ, রেজিস্টার বুক ডেলিভারি
ব্যাংক একাউন্ট খোলায় সহায়তা
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
পরিচালক/শেয়ারহোল্ডারদের NID/PASSPORT
সকল শেয়ারহোল্ডারদের পাসপোর্ট সাইজ ছবি
প্রস্তাবিত কোম্পানির নাম
অফিস ভারার চুক্তিপত্র ও মোবাইল নম্বর
ইমেইল ঠিকানা ও এনটাইটেল শেয়ার লিমিট
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের ফি এর হিসাব জেনেনিন
আমাদের সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি এখন নিজেই জানতে পারবেন আপনার কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনে মোট কত টাকা খরচ হবে
Pvt. Limited Company & Trade License Registration Fee Calculator
Pvt. Limited Company Fee
| Registration Fee | BDT 0 |
| Filing Fee | BDT 1200 |
| Certified Copy Fee | BDT 1520 |
| VAT (15%) | BDT 0 |
| MOA & AOA Stamp Fee | BDT 0 |
| Daptari Service Charge | BDT 0 |
| Total Payable | BDT 0 |
|---|
Trade License Registration Fee
| লাইসেন্স ফি | BDT 0 |
| সাইনবোর্ড ফি | BDT 0 |
| ভ্যাট (১৫%) | BDT 0 |
| বই মূল্য ও অন্যান্য ফি | BDT 0 |
| ব্যাংক ফি | BDT 0 |
| দপ্তরী সার্ভিস চার্জ | BDT 0 |
| Total Payable | BDT 0 |
|---|
আপনি চাইলে আমরা আপনার পক্ষ থেকে সব ড্রাফট তৈরি ও RJSC-তে সাবমিশন করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারি।
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে এখনি যোগাযোগ করুন
লিঃ কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কে কিছু নিয়মিত প্রশ্ন
লিমিটেড কোম্পানি খোলার জন্য কত টাকা লাগে?
প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নবায়ন করা উচিত।
RJSC রেজিস্ট্রেশনে কত সময় লাগে?
সাধারণত ৫-১০ কর্মদিবস লাগে, তবে ডকুমেন্ট ঠিক থাকলে কম সময়েও হয়।
লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে কী কী লাগে?
অনুমোদিত মূলধন অনুযায়ী সরকারি ফি নির্ধারিত হয়, সাধারণত ১২,৩০০ টাকা থেকে শুরু হয়। সাথে থাকতে পারে প্রফেশনাল সার্ভিস ফি।
একজন ব্যক্তি কি একাধিক কোঃ পরিচালক হতে পারেন?
হ্যাঁ, একজন ব্যক্তি একাধিক কোম্পানির ডিরেক্টর হতে পারেন।
কোম্পানির নামে ব্যাংক একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া কেমন?
RJSC সার্টিফিকেট, TIN, কোম্পানির রেজোলিউশন ও চুক্তিপত্র দেখিয়ে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।
লিঃ কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন না করলে কী মিস করতে পারেন?
আপনার ব্যবসা কোনো আইনি অস্তিত্ব পাবে না।
বিদেশি বিনিয়োগ, লোন, অথবা বড় টেন্ডার পেতে পারবেন না।
RJSC না থাকলে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি বা আইনি সুরক্ষা পাবেন না।
কোম্পানির নামে প্রপার্টি বা ট্রেডমার্ক রেজিস্টার করা সম্ভব নয়।
আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন, কারণ কোম্পানির অডিট ও রিটার্ন বাধ্যতামূলক।
বাধ্যতামূলক খরচসমূহ সম্পর্কে জেনেনিন
অনেক উদ্যোক্তা লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার সময় শুধু RJSC রেজিস্ট্রেশন ফি বা আইনজীবীর চার্জ পর্যন্তই হিসাব করেন। কিন্তু বাস্তবে কোম্পানি চালাতে গেলে বার্ষিক ও মাসিক বেশ কিছু বাধ্যতামূলক খরচ থাকে। এগুলো আগে থেকে জানা থাকলে ব্যবসার বাজেট ঠিক রাখা সহজ হয়।
অডিট রিপোর্ট (Yearly Audit)
-
প্রতিটি লিমিটেড কোম্পানির জন্য বছরে একবার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) দ্বারা অডিট বাধ্যতামূলক।
-
খরচ কোম্পানির টার্নওভার ও ভলিউমের উপর নির্ভর করে, সর্বনিম্ন ৫৭,৫০০ টাকা থেকে নিয়ম মত।
আয়কর রিটার্ন (Tax Return)
-
কোম্পানি এবং ডিরেক্টর উভয়েরই আলাদা আলাদা ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হয়।
-
কোম্পানির জন্য: বার্ষিক রিপোর্ট ও ট্যাক্স পরিশোধ।
-
ডিরেক্টরের জন্য: ব্যক্তিগত ট্যাক্স রিটার্ন।
আরজেএসসি (RJSC) Annual Return
-
RJSC-তে প্রতি বছর বার্ষিক রিটার্ন জমা দিতে হয়।
-
এখানে শেয়ারহোল্ডার, ডিরেক্টর, কোম্পানির আর্থিক অবস্থা ইত্যাদি তথ্য রিপোর্ট করতে হয়।
-
দেরি হলে জরিমানা আরোপ হয়।
তাই লিমিটেড কোম্পানি করার আগে এই বিষয় গুলো জেনে বুঝে করবেন। কারন আপনার ১লক্ষ + টাকা প্রতি বছর এর জন্য খরচ হবে। আর যদি আপনি কোনো কারনে নির্দিষ্ট তারিখ মিস করেন তাহলে খরচ দ্বিগুণ এর ও বেশি হওয়ার সুযোগ থাকে।
Limited Company Registration Process in Bangladesh
লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন একটি ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া। আমরা আপনার জন্য কাজটিকে সহজ করে দিই যাতে কোনো ঝামেলা ছাড়াই আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
Step 1: Name Clearance
RJSC (Registrar of Joint Stock Companies)-এ নাম অনুমোদনের জন্য আবেদন
নাম রিজার্ভেশনের মেয়াদ: ৩০ দিন
Step 2: Drafting Documents
Articles of Association (AOA)
Form IX, Form XII এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
(যদি বিদেশি মালিকানা হয় তাহলে এখনি করতে হবে, অন্যথায় দেশি মালিকানা হলে ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট পাবার পর ও করা যাবে।)
Paid-up Capital জমা দেওয়া
Step 4: Submission to RJSC
ফাইলিং ফি ও স্ট্যাম্প ডিউটি প্রদান
Step 5: Incorporation Certificate
এখানেই আপনার কোম্পানি আইনত রেজিস্টার্ড হয়ে যায়
Step 6: Post-Registration Compliance
TIN Certificate
VAT Registration
ব্যাংক একাউন্ট এক্টিভেশন ও অন্যান্য আইনগত কমপ্লায়েন্স
আমরা প্রতিটি ধাপ আপনার হয়ে ম্যানেজ করি—নাম অনুমোদন থেকে শুরু করে Incorporation Certificate পাওয়া এবং পরবর্তী কমপ্লায়েন্স পর্যন্ত।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি কি?
কোম্পানির কিছু টার্মস (শব্দ) ও অর্থ
অংশীদার / শেয়ার হোল্ডার: যারা একটি কোম্পানিতে অংশীদার হবেন, অর্থাৎ টাকা দিয়ে কোম্পানির মালিক হবেন তারা হচ্ছেন অংশীদার বা শেয়ার হোল্ডার। এই অংশীদাররা তাদের অংশের অনুপাতে লাভ নিয়ে থাকবেন। প্রাইভেট কোম্পানিতে এই অংশীদারদের সংখ্যা ২-৫০ জন পর্যন্ত হতে পারে।
ডিরেক্টর : সাধারণত অংশীদারদের একটা ক্ষুদ্র অংশ, ২-৫০ জন ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করেন। এরা বার্ষিক সাধারণ সভাতে উপস্থিত থাকেন, কোম্পানির হয়ে কোম্পানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন
বোর্ড অব ডিরেক্টরস: কয়েকজন ডিরেক্টর মিলে, সাধারণত ২-১০ জন একটি বোর্ড অব ডিরেক্টরস তৈরি করে যারা কোম্পানি পরিচালনা করেন।
ম্যানেজিং ডিরেক্টর: সাধারণ অংশীদার বা মালিকদের মধ্য থেকে একজন [সাধারণত যার শেয়ার বেশি থাকে তিনি] ম্যানেজিং ডিরেক্টর হয়ে থাকেন। সাধারণত ম্যানেজিং ডিরেক্টর একটা কোম্পানির সকল সিদ্ধান্ত নেন। একজন ম্যানেজিং ডিরেক্টরের কোম্পানি যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সকল ক্ষমতা থাকে এইটা আসলে নির্ভর করবে কোম্পানির আর্টিকেলে ম্যানেজিং ডিরেক্টরকে কোম্পানির পাওয়ার দেওয়া আছে কিনা তার উপরে।
চেয়ারম্যান: অংশীদারদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারম্যান হন। চেয়ারম্যান মূলত কোম্পানির মিটিংগুলোতে সভাপতিত্ব করেন ও প্রয়োজনে মিটিঙের সিদ্ধান্তে ভোট প্রদান করেন।
পেইড আপ ক্যাপিটাল: কোন কোম্পানি যত টাকা দিয়ে শুরু হবে ( কোম্পানির বর্তমান ইনভেস্ট বা বর্তমান ভ্যালু) সেটা হচ্ছে সেই কোম্পানির পেইড আপ ক্যাপিটাল।
অথরাইর্জড ক্যাপিটাল: কোন কোম্পানি কত টাকা বর্তমান এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করতে চায় বা নিতে চায় সেটা হচ্ছে অথরাইজড ক্যাপিটাল।
মেমরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন: এটি একটি দলিল, এই দলিলে একটি কোম্পানি কি কাজ করবে তা উল্লেখ থাকে।
আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন : এটি একটি দলিল, এই দলিলে একটি কোম্পানি কিভাবে কাজ করবে তা উল্লেখ থাকে।
অথরাইজড ক্যাপিটাল Authorized Capital কি?
একটি কোম্পানী শুরুর সময় ঐ কোম্পানীর সর্বোচ্চ মূলধনের যে সীমা নির্ধারন করা হয় বা অনুমোদন করা হয় সেটাই হল ঐ কোম্পানির অথরাইজড ক্যাপিটাল:
মনে করুন, আপনার কোম্পানীর অথরাইজড ক্যাপিটাল ১০০ টাকা, এবং পার্টনার ১০ জন, তাহলে ১০ টাকা করে দশ জনের ভেতর সর্বোচ্চ ১০ টি শেয়ার বন্টন করা যাবে। এর বেশী শেয়ার বন্টন করা যাবে না। বেশী করতে চাইলে অথরাইজড ক্যাপিটাল আবার সংশোধন করে বাড়িয়ে নিতে হবে।
পেইড-আপ ক্যাপিটাল Paid-up Capital কি?
পরিশোধিত মূলধন বা পেইড-আপ ক্যাপিটাল হল অনুমোদিত ( পরিশোধিত মূলধন – বর্তমান ইনভেস্ট ) বা অথরাইজড ক্যাপিটাল সীমার মধ্যে একটা এমাউন্ট যা কোম্পানীর ব্যাংক একাউন্টে জমা শুরতে জমা দিতে হবে।
বাংলাদেশে একটা কোম্পানী নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নূন্যতম ২ টাকা পেইড-আপ ক্যাপিটাল থাকা দরকার হয়।
মনে করুন, ১০০ টাকা অথরাইজড ক্যাপিটালের মধ্যে ১০ জন শেয়ার হোল্ডার মিলে ৫০ টাকার শেয়ার ধারন করেছে যাকে পেইড-আপ ক্যাপিটাল বলে। এই ৫০ টাকা কোম্পানীর ব্যাংক একাউন্টে জমা দিতে হবে। এই টাকা পরে ব্যাবসায়ীক প্রয়োজনে যে কোন সময় উত্তোলন ও খরচ করা যায়।
Memorandum of Article (MOA) বা সংঘ স্মারক কি?
লিমিটেড কোম্পানির মেমোরেন্ডাম হল কোম্পানির নিবন্ধনী নাম, লক্ষ্য এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রকার সম্পর্কে সংক্ষেপে তথ্য সারমর্ম করা হয়ে থাকে। মেমোরেন্ডাম একটি বৈধকর দলিল হিসেবে কাজ করে, যা কোম্পানির ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা, শেয়ার ডিলিংস, ওয়ান্টেড লিমিটেশন এবং অন্যান্য বিশেষ শর্তাবলীগুলি সংজ্ঞায়িত করে।
লিমিটেড কোম্পানির মেমোরেন্ডামে সাধারণত নিম্নলিখিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে:
কোম্পানির নাম: মেমোরেন্ডামে কোম্পানির সঠিক নাম এবং সংক্ষেপে বর্ণিত হয়।
লক্ষ্য: কোম্পানির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের বিবরণ। এটি কোম্পানির ব্যবসায়িক প্রকার এবং ধারাবাহিকতার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
কোম্পানির শেয়ার ডিলিংস: কোম্পানির নির্দিষ্ট প্রকারের শেয়ার কতগুলি হিসেবে উপলব্ধ থাকবে এবং কীভাবে এগুলি বিতরণ করা হবে তা নির্ধারণ করা হয়।
ওয়ান্টেড লিমিটেশন: কোম্পানির কর্তৃক নিষ্কৃতি প্রদানের শর্ত সম্পর্কে মেমোরেন্ডামে বর্ণিত হয়।
অন্যান্য শর্তাবলী: আরও যে কোনও বিশেষ শর্তাবলী বা নির্দিষ্টকরণ যদি থাকে তা অন্তর্ভুক্ত থাকে।
এই মেমোরেন্ডাম অক্সীজেনের মতো কোম্পানির বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক অংশ হিসাবে কাজ করে, কোম্পানির ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা এবং আইনি মামলার সুরক্ষা সংজ্ঞায়িত করে।
Article of Association (AOA) বা সংঘবিধি কি?
লিমিটেড কোম্পানির আর্টিকেল, অথবা আর্টিকেল অফ এসোসিয়েশন, হল কোম্পানির নিবন্ধনী নামের সাথে একটি অফিসিয়াল ডকুমেন্ট যা কোম্পানির নিয়ম ও শর্তাবলী নির্ধারণ করে। এই ডকুমেন্ট কোম্পানির নিয়ম, শর্তাবলী, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, শেয়ারধারীদের অধিকার এবং কর্মচারীদের দায়িত্ব নির্ধারণ করে।
লিমিটেড কোম্পানির আর্টিকেল সাধারণত নিম্নলিখিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করে:
1) কোম্পানির নাম: সঠিক এবং নিবন্ধনী নাম যা কোম্পানি ব্যবহার করবে।
2) কোম্পানির শ্রেণী: কোম্পানির ধরণ বা শ্রেণী, যেমন প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি , পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, ইত্যাদি।
3) শেয়ার ডিলিংস: কোম্পানির শেয়ার প্রকার এবং সংখ্যা, সম্পদ বিতরণের নিয়মাবলী এবং অন্যান্য শেয়ারধারীদের অধিকার নির্ধারণ করা।
4) কোম্পানির নির্দিষ্ট কার্যক্রম এবং উদ্দেশ্য: কোম্পানির প্রধান উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রমের বিস্তারিত বর্ণনা।
5) ব্যবসায়িক গঠন: কোম্পানির নেতৃত্ব, পরিচালনা পরিষদ, কর্মচারীদের ভূমিকা এবং কোম্পানির প্রধান অধিকারীদের দায়িত্ব নির্ধারণ।
6) আপীল এবং দায়িত্ব: শেয়ারধারীদের অধিকার এবং দায়িত্ব নির্ধারণ করা।
এই সব তথ্য কোম্পানির ভবিষ্যতের কার্যক্রমের দিকে নির্দেশ দেয় এবং অধিকারীদের মধ্যে স্পষ্টতা ও সুস্থতা সংরক্ষণ করে।
নামের ছাড়পত্রের সাধারণ শর্তাবলী
১. একই নাম হতে পারবে না, অর্থাৎ উচ্চারণ ও লেখার ক্ষেত্রে শুনতে ও দেখতে একই রকম মনে হয় এমন নাম হবে না।
২. আন্তর্জাতিক কোন কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৩. দেশে দীর্ঘদিন যাবৎ চালু আছে এমন কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বিনোদন বা ক্রীড়া সংগঠনের নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৪. সরকারের অন্য কোন সংস্থায় নিবন্ধিত কোন প্রতিষ্ঠানের নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৫. জাতীয় পর্যায়ে বিখ্যাত বা খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তির নাম সহ কোন নামের ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তি পরিবারের সদস্যদের অনুমতি এবং সরকারের অনুমোদন আবশ্যক হবে। |
৬. মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক কোন নামের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি আবশ্যক হবে।
৭. সরকারি কোন কর্মসূচি বা সংস্থার নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৮. বিদ্যমান রাজনৈতিক দলের নামের অনুরূপ বা রাজনৈতিক কোন স্লোগান বা কর্মকুঁচির নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৯. অশ্লীল, গালি বা ব্যঙ্গাত্মক শব্দ বিশিষ্ট কোন নাম হবে না।
১০. জাতি, ধর্ম অথবা সামাজিক সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে এমন কোন নাম হবে না।
১১. পূর্ব হতে প্রতিষ্ঠিত (অন্ততপক্ষে ১০ বছরের পুরাতন) সামাজিক প্রতিষ্ঠান তার মূল নামে নিবন্ধন করতে চাইলে সাংগঠনিক কমিটির রেজুলেশন নামের ছাড়পত্রের জন্য ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে আবেদন করবেন।
১২. সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা ক্রীড়া সংগঠনকে কোম্পানি হিসাবে নিবন্ধনের ছাড়পত্রের জন্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি আবশ্যক হবে।
১৩, নামের ছাড়পত্রের বর্ণিত শর্তাবলীর কোন একটি ভঙ্গ হলে আরজেএসসি কর্তৃপক্ষ গৃহীত নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দিতে পারবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নাম পরিবর্তন না করা হলে নিবন্ধন নাম্বার দিয়ে আপত্তিকৃত নামটি প্রতিস্থাপন করা হবে অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি তার নিবন্ধন নাম্বার দিয়ে পরিচিত হবে।
১৪. শুধুমাত্র নামের ছাড়পত্র নিবন্ধনের জন্য চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে না।
Company Registration শেষে কি কি ডকুমেন্ট পাবেন?
আপনার কোম্পানিটি নিবন্ধিত হয়ে গেলে আপনি একে একে তিনটি দলিল পাবেন। দলিল তিনটি হচ্ছে।
- Certificate of Incorporation
- Certified copy of Article of Association (AOA) and Memorandum of Association (MOA)
- Form XII